Header Ads

test

বাজেট অনুযায়ী বর্তমান বাজারের সেরা কিছু স্মার্টফোন (২য় পর্ব)

বাজেট অনুযায়ী বর্তমান বাজারের সেরা কিছু স্মার্টফোন (১ম পর্ব)

LG V20 বসন্ত (রিকমেন্ডেড)




ডিভাইসটি বাংলাদেশের মার্কেটে আসে ২০১৭ সালের ১ম দিকে। সেই সময় এর মার্কেট প্রাইজ ছিল ৫০ হাজারের মত। কিন্তু বর্তমানে এর দাম ৩০ হাজারের মত (দোকানভেদে দাম কম বেশী হতে পারে)।
৩০ হাজার প্রাইজ রেঞ্জ অনুযায়ী অসাধারন একটি ডিভাইস এটি। এ জন্য কিছুটা খটকা ও লাগতে পারে বসন্ত ডট নেটের পাঠকদের মাঝে যে এতকম দামী ডিভাইসে এত অসাধারণ কি থাকতে পারে। আসলে আমি আগেয় বলেছি যে এর প্রকৃত বাজার দর ৫০ হাজার টাকা কিন্তু যেহেতু LG তাদের নতুন ডিভাইস গুলো বাজারে ছাড়ার পরপরই আগের ডিভাইসগুলোর মূল্য কমিয়ে দেয় তাই এই বিস্ট কিলার ডিভাইসের ক্ষেত্রেও ঐ একই ঘটনা ঘটেছে।
এর বডি তৈরীতে ব্যাবহার করা হয়েছে ৬০০০ সিরিজ অ্যালুমিনিয়াম এবং ডিসপ্লেতে প্রটেকশন হিসেবে ব্যাবহার করা হয়েছে ৪র্থ প্রজন্মের কর্নিং গোরিলা গ্লাস। এর ডিসপ্লে প্যানেলটি বেশ শার্প মনে হয়েছে আমাদের কাছে যদিও এতে অনেকটা ব্যাকডেটেড আইপিএস এলসিডি ডিসপ্লে প্যানেল ব্যাবহার করা হয়েছে। তবে পিক্সেল ডেন্সিটি ৫১৩ পিপিআই হবার কারনে এবং ১৬ঃ৯ রেশিও হবার কারনে এর ভিউয়িং এঙ্গেল মোটেও খারাপ লাগেনা।
এতে ব্যবহার করা হয়েছে স্ন্যাপড্রাগন ৮২০ চীপ এবং এড্রীনো ৫৩০ জিপিইউ তাই গেইম লাভাররা না দেখে পছন্দের তালিকায় রাখতে পারেন। অসাধারন ছবি ক্যাপচার করতে সক্ষম এর রেয়ার ডুয়েল ক্যামেরা। এদের একটিতে ব্যাবহার করা হয়েছে ১৬ এমপি সেন্সর যার এপার্চার ১.৯ এবং আরেকটিতে ব্যাবহার করা হয়েছে ৮ এমপি সেন্সর যার এপার্চার ২.৪। বোনাস হিসেবে থাকছে ডুয়েল এলইডি ফ্ল্যাশ। এছাড়া যেহেতু OIS ( অপ্টিকাল ইমেজ স্টাবিলাইজেশন) থাকছে তাই ভিডিও শেক করা নিয়ে কোন সমস্যায় পড়তে হবেনা। সেলফী প্রেমিদের জন্য রয়েছে ৫ এমপি সেলফি ক্যামেরা যার কুয়ালিটিও যথেষ্ট ভালো বলে মনে হয়েছে আমাদের কাছে। এটি রান করে নোগাট ৭.০ এবং এর ব্যাটারি ৩২০০ mAh( অন্যান্যঃ ফাস্ট চার্জিং ৩,ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর, র‍্যাম ৪ জিবি, রোম ৩২ জিবি/৬৪ জিবি,এক্সপেন্ডেবল ২৫৬ জিবি)।
সব কিছু মিলিয়ে এটিকে বেস্ট ভ্যালু ফর মানি ডিভাইস মনে হয়েছে বসন্ত ডট নেট টিমের কাছে। তবে সব চাইতে বড় সমস্যা হচ্ছে এটি সব সময় বাজারে নাও পাওয়া যেতে পারে। আবার অনেক সময় কিছু দোকানে এখনো ৫০ হাজার টাকা মূল্য হাকা হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে আদর্শ হতে পারে ঢাকার বসুন্ধরা মার্কেট এবং বিক্রয় ডট কম। তবে অবশ্যই এক্ষেত্রে দেখে শুনে যাচাই করে নিতে হবে।এছাড়াও বসন্ত ডট নেট হতেও পাঠকেরা এই ডিভাইসটি কিনে নিতে পারেন। এজন্য বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন এই নম্বরে (01724626721). কুরিয়ারে কন্ডিশনের মাধ্যমে আমরা সারা দেশে ফোন  সরবরাহ করে থাকি। আমাদের পন্য নিয়ে ১০০ ভাগ নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন।


moto G5 plus


মিড বাজেটে উন্নত মানের ডিভাইস বাজারে নিয়ে আসবার জন্য মটোরোলা সারা বিশ্বে অনেক পরিচিত একটি ব্র্যান্ড।২৫ হাজারের প্রাইজ রেঞ্জে মটোরোলার এমনই একটি ডিভাইস হচ্ছে Motorola Moto G5 plus. এর প্রধান আকর্ষণ হল এর ক্যামেরা। এর রেয়ারে দেয়া ১২ মেগাপিক্সেল সেন্সরের ক্যামেরাটির এপার্চার দেয়া হয়েছে মাত্র ১.৭। একারনেয় মুলত খুব ভালো মানের ছবি ক্যাপচার করতে পারে মটো জি ৫ প্লাস। এছাড়াও এর আরও একটি উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে এটি ওরিও (নোগাটে চলছে) আপডেট পাবে যা মটোরলা অফিসিয়ালি জানিয়েছে।
হার্ডওয়ারের দিক থেকেও নিরাশ করেনি মটোরোলা। চীপ হিসেবে দেওয়া হয়েছে স্ন্যাপড্রাগন ৬২৫ (অক্টাকোর) এবং জিপিইউ দেওয়া হয়েছে এড্রীনো ৫০৬।তাই হার্ডকোর ব্যবহারেও ল্যাগের কোন দেখা পাওয়া অসম্ভব। এটি আইফোন ৭ প্লাসের মত ডাস্ট এবং স্প্ল্যাশ প্রুফ। এছাড়া ডিসপ্লেতেও কোন ত্রুটি চোখেপড়েনি, ১০৮০ পিক্সেলের ফুল এইচডি ডিসপ্লেটিকে কভার করা হয়েছে গোরিলা গ্লাস ৩ দ্বারা। থাকছে ফিংগারপ্রিন্ট স্ক্যানার এবং ফাস্ট চার্জিং টেকনোলজি।তাই যদি মটোরলার ডিভাইসগুলোর ডিজাইনে কোন এলার্জি না থাকে তাহলে নিঃসন্দেহে এটি ভালো চয়েস হতে পারে।
তবে বাজেট একটু বেশি থাকলে moto g5s plus কিনে নিতে পারেন কারন এ্রর রেয়ারে ডুয়েল ক্যামেরা সেটআপ (ডুয়েল ফ্ল্যাশের সাথে) দেয়া হয়েছে যে কারনে Moto G5 Plus এর চাইতেও ভালো মানের শ্যুটার এটি। এমনকি এর ৮ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরার সাথেও একটি ফ্ল্যাশ দেওয়া হয়েছে যা Moto G 5Plus এর ৫ মেগা পিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরায় অনুপস্থিত। তবে এই দুইটি ডিভাইসে আর বাকি সব কিছুই এক, এমনকি ব্যাটারিও (৩০০০ mAh).তাই নিজের চাহিদা অনুযায়ি যে কোন একটা নিয়ে নিতে পারেন।দাম প্রায় কাছাকাছি।



Honor 7X




গেমাররা এই ডিভাইসটি কেনা থেকে বিরত থাকুন।কারন যদিও হুয়াওয়ে তদের শক্তিশালি চীপ HiSilicon Kirin 659 এই ডিভাইসটিতে ব্যবহার করেছে কিন্তু এতে Mali-T830 MP2 এর মত সাধারন জিপিইউ দেওয়া হয়েছে যা কিনা একটি ডুয়েল কোর জিপিইউ তাই এর গেমিং এক্সপেরিয়েন্স এভারেজ হবে,টেম্পল রা্ন২ এর মত গেইম গুলো স্মুথলি খেলা যায়।এছাড়া এর আর তেমন কোন কমতি চোখে পড়েনি আমাদের। কিন্তু এর রেয়ার ক্যামেরাটি মাঝে মাঝে অটোফোকাস মোডে আর্টিফিসিয়াল ব্লার করে ফেলে যা একটু বিরক্ত লাগে।তবে ম্যানুয়েল মোডে অসাধারণ ছবি ঊঠানো সম্ভব honor 7x (মুল্য প্রায় ২৮,০০০ টাকা) দ্বারা।তবে এর সেলফি ক্যামেরাটি খুব শার্প এবং ডিটেইল্ড সেলফি তুলতে পারে তাই সেলফি প্রেমিদের মোটেও নিরাশ করবেনা এটি। এছাড়া আর যে কারণে এটি আমাদের লিস্টে স্থান পেয়েছে তা হল ফোনটি যথেষ্ট ফাস্ট। ফেসবুক, টুইটার,ইউটিউবের মত ভারি ভারি অ্যাপ ওপেন হতে মোটেও সময় নেয়না। রেগুলার ইউসেজেও কোন ল্যাগের দেখা পাওয়া যায় নি।
এছাড়া ফোনটি দেখতেও বেশ স্মার্ট এর বেজেল বিহীন ডিসপ্লের কারণে তাই দেখা মাত্র এর লুক এবং বিল্ট আপনার মন কাড়বে।তবে এতে কোন ফাস্ট চার্জিং টেকনোলজি ব্যবহার করা হয় নি তাই পুরো চার্জ হতে প্রায় আড়াই ঘন্টারও বেশি সময় লেগেছে (ব্যাটারি ৩৩০০ mAh)।হুয়াওয়ের ফ্যান হলে ফোনটি নিতে পারেন তবে আমাদের কাছে এই ডিভাইসটির চাইতে mi A1 অনেক পার্ফেক্ট মনে হয়েছে দাম থেকে শুরু করে সব কিছু মিলিয়ে।



Mi Max 2




যাদের বড় ডিসপ্লে পছন্দ তাদের জন্য বেস্ট চয়েস হতে পারে Mi Max 2. কারন এতে দেওয়া হয়েছে প্রায় সাড়ে ৬ ইঞ্চি ফুল এইচডি ডিসপ্লে (গোরিলা গ্রাস ৩ সহ)। আর এত বড় ডিসপ্লের ব্যাটারি ব্যাকআপ সুন্দর পাবার জন্য দেওয়া হয়েছে ৫৩০০ mAh ব্যাটারি ফাস্ট চার্জিং ৩ টেকনোলজি সহ।তাই ডিভাইসটি চার্জ হতেও কম সময় লাগে।এছাড়াও বোনাস হিসবে থাকছে ইউএসবি টাইপ সি ১.০ রিভার্সেবল কানেক্টর।তবে এর ফ্রন্ট এবং রেয়ার দুইটি ক্যামেরার কুয়ালিটিই এভারেজ মনে হয়েছে আমাদের কাছে। প্রসেসর হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে এসডি ৬২৫ চিপসেট এবং জিপিইউ দেওয়া হয়েছে এড্রিনো ৫০৬ তাই গেইম এবং পারফর্মেন্স সব কিছুই সন্তুষ্টজনক ২্‌৮,০০০ টাকা বাজেট রেঞ্জে।৪ জিবি র‍্যামের এই ডিভাইসটি ২৫৬ জিবি পর্যন্ত এক্সটারনাল মেমোরি সমর্থন করে।এটি বাজারে ম্যাট ব্লাক এবং গোল্ড দুইটি ভেরিয়েন্টে পাওয়া যায়।



Samsung J7 Pro




২০,০০০ টাকার নিচে স্যামসাংয়ের ডিভাইস গুলো কেনা থেকে বিরত থাকুন। কারন এগুলো কেনার পর কিছু দিন ভালো লাগলেও তার পর আর ভালো লাগেনা এদের পারফর্মেন্সে ঘাটতির কারণে।সে দিক থেকে সব চায়তে কম দামী স্যামসাং ডিভাইস গুলোর মধ্যে Samsung J7 Pro কে এগিয়ে রেখেছি আমরা। কারণ বিগত বছর গুলোতেও আমরা দেখেছি স্যামসাংয়ের এই j7 সিরিজটি অনেক জনপ্রিয়তা পেয়ে এসেছে।
j7 pro ডিভাইসটি দেখতে অনেক সুন্দর।এর অ্যামোলেড ডিসপ্লেটি এর সৌন্দর্যের মান আরো বাড়িয়ে দিয়েছে।অফিসিয়ালি এর দাম ৩০,০০০ টাকা হলেও আনঅফিসিয়ালি এর দাম প্রায় ২৩ হাজার টাকা।
এতে স্যামসাং তাদের নিজেদের Exynos 7870  প্রসেসর ব্যবহার করেছে যার সাথে রেডমি ৪ এক্স এ ব্যবহৃত এসডি ৪৩৫ চিপ সেটের তুলনা করা যায়। তাই এর পারফর্মেন্স (এমনকি গেমিং পারফর্মেন্সও) অনেকটা রেডমি ৪এক্সের মত। তবে একে রেডমি ৪এক্সের সাথে তুলনা করা বোকামি হবে কারন এর ডিসপ্লে রেডমি ৪এক্সের চাইতে অনেক উন্নত।
এর প্রাইমারি ক্যামেরা ১৩ মেগাপিক্সেলের যার এপার্চার ১.৭। ১.৭ এপার্চার হলেও এর পিকচার কুয়ালিটি অতটা উন্নত নয় mi A1 এর সাথে তুলনা করলে। এর ফ্রন্ট ক্যামেরার অবস্থাও প্রায় একই। তাই যারা স্যামসাং ব্র্যান্ডের,চলার মত একটি ডিসেন্ট ডিভাইস কিনতে চান তাদের জন্য এটি রিকমেন্ড করছি।




galaxy s7 (বসন্ত (রিকমেন্ডেড)




বাজেট যদি ৩২ হাজারের মত হয় তাহলে আদর্শ চয়েস হচ্ছে স্যামসাং এর দুইটি ফ্লাগশিপ কিলার এস ৭ এবং এস ৭ এজ (এস ৭ এজ ৩৮০০০ টাকা)। ক্যামেরা থেকে শুরু করে পারফর্মেন্স নিয়ে কখনই ভাবতে হবেনা।যদিও ডিভাইস গুলো ২০১৬ সালে বাজারে ঢুকেছে কিন্তু দাম অনুযায়ী বিচার করলে এগুলো বর্তমান বাজারে প্রচলিত যে কোন ডিভাইসের চাইতে এগিয়ে থাকবে নিঃসন্দেহে।তবে অফিসিয়ালি এগুলোর দাম এখনো হাতের নাগালে আসেনি। তাই আনঅফিসিয়ালি নিতে হবে। এক্ষেত্রে মার্কেট থেকে নিলে অবশ্যই দেখে শুনে যাচাই করে নেওয়া জরুরি।বসন্ত ডট নেট থেকেও এই ডিভাইস দুটি কিনতে পারেন।



Moto X4




৪০ হাজার বাজেটে মটোরলার মিড বাজেট ফ্লাগশিপ ডিভাইস মটো এক্স ৪ অসাধারন একটি ডিভাইস। তবে ডিজাইনের দিক থেকে খারাপ লাগতে পারে কারণ এর লুক মটোরলার অন্যান্য ডিভাইসের মতই।ফ্লাগশিপ হিসেবে মটোরলার এই দিক টাতে নজর দেয়া উচিত ছিলো।
তবে বিল্ট কুয়ালিটির দিক দিয়ে আমাদের মন জয় করে নিয়েছে এটি।এমনকি এর পারফর্মেন্সও ছিলো মনের মত।আর ক্যামেরা নিয়ে বলার মত কিছু নেই,এক কথায় অসাধারণ।যথেষ্ট শার্প এবং ডিটেইল্ড ছবি ক্যাপচার করতে পারে ডিভাইসটির ক্যামেরা।যদিও এতে ফুল এইচডি (১০৮০পিক্সেল) ডিসপ্লে প্যানেল ব্যবহার করা হয়েছে কিন্তু তার পরেও  ডিসপ্লেটির কালার রিপ্রডাকশন এবং ভিউয়িং অ্যাঙ্গেলও ছিলো চোখে পড়ার মত।
আইপি ৬৮ সার্টিফাইড এটি।ডিসপ্লেতে কর্নিং গোরিলা গ্লাস ৩ ব্যবহার করা হয়েছে।এছাড়াও এর ৩০০০ mAh ব্যাটারিটি ভালো ব্যাকআপ দিয়েছে আমাদের।একটি ফ্লাগশিপ ডিভাইসের মধ্যে যা কিছু থাকা উচিত তার সব কিছুই পেয়েছি ডিভাইসটিতে।এটি ওরিও আপডেট পাবে (নোগাটে চলছে)।



এই ছিলো বাজেট অনুযায়ি বর্তমান বাজারের সেরা কিছু ডিভাইসের তালিকাে (দোকান ভেদে আমাদের দেয়া এই দাম গুলো কম বা বেশি মনে হতে পারে)।এই ডিভাইস গুলো আমরা ১০ দিন মত ব্যবহার করেছি এবং সেই অভিজ্ঞতা থেকেই এই লিখাটি লিখা।
বাজেট ৪০ হাজারের বেশি হলে তালিকায় রাখতে পারেন Galaxy a9 pro,Honor 8 Pro,LG G6 ,Oneplus 5t,s8,s8+ এই ডিভাইস গুলো।
এছাড়া বাজেট আরো বেশি হলে Note 8,Lg V30+,Google Pixel 2xl (বসন্ত (রিকমেন্ডেড),iPhone 7, 7plus,iPhone 8 ,8plus,iPhone X এদের যে কোন একটা নিয়ে নিতে পারেন আপনার পছন্দ মত।

লিখাটি পড়ে যদি কিছুটা হলেও ভালো লাগে তাহলে বসন্ত ডট নেটের ফেসবুক পেজে লাইক দিন। আপনার একটি লাইক আমাদেরকে আরো ভালো লিখতে অনুপ্রেরণা যোগাবে।

No comments