number ones

৭ টি কাজ আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে করা থেকে সবসময় বিরত থাকুন | 7 THINKS YOU SHOULD NOT DO WITH YOUR ANDROID DEVICE

আজকে আলোচনা করব এমন ৭টি কা নিয়ে যেগুলো আমরা আমদের অ্যান্ড্রয়েড ফোনগুলোতে প্রতিনিয়তই করি অথচ কখনোই করা উচিত নয়।
আননোন (unknown) সোর্স থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করা
যারা একটু টেকি মাইন্ডের তারা এ কাজটি বেশী করে থাকেন।প্লে স্টোর থেকে প্রয়োজনীয় অ্যাপটি ডাউনলোড না করে অন্য কোনো ওয়েবসাইট থেকে .apk ফাইল ডাউনলোড করে থাকেন।কারণ অনেক সময় এতে অনেক পেইড অ্যাপস ফ্রীতে পাওয়া যায়।কিন্তু এটি করা থেকে দূরে থাকুন কারণ এটা আপনার সিস্টেমের জন্য একদমই নিরাপদ নয়,এ ধরনের আননোন সোর্স দেখানো অ্যাপগুলো বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেয় স্পাই হয়ে থাকে যা আপনার ডিভাইসকে মনিটর করার ক্ষমতা রাখে।এতে করে আপনার প্রয়োজনীয় ডেটা লিক হয়ে যাবার সম্ভাবনা থাকতে পারে।সবসময় প্লে স্টোর থেকে অ্যাপস ডাউনলোড করুন এটা আপনার এবং আপনার ডিভাইসের জন্য ১০০ ভাগ নিরাপদ,এখানে আপনার জন্য ২ মিলিয়নের বেশী অ্যাপস আছে।
অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করা
নতুন ফোন কেনার পরেই একজন ইউজার (সবাই নন) ভাবেন তার ডিভাইসের সিকিউরিটি বাড়াতে অ্যান্টিভিরাসের প্রয়োজন।এ বিশ্বাসের কারণ হল প্লে স্টোরে কিছু অ্যান্টিভায়রাস কয়েক মিলিয়নবার ডাউনলোড হয়ে বসে আছে!আর ইন্টারনেটে কিছু ওয়েবসাইট ভিজেটর বাড়ানোর জন্য এ বছরের সেরা অ্যান্টিভাইরাসের তালিকা তৈরী করে দিয়ে রেখেছে তাই বিভ্রান্ত হয়ে পড়াটা অস্বাভাবিক নয়।কিন্তু বাস্তবতা কি?বাস্তবতা হচ্ছে মোবাইলের মত একটা ছোট ডিভাইসে অ্যান্টিভাইরাসের কোন প্রয়োজনই নেই।বরং অ্যান্টিভাইরাস ইন্সটল করা থাকলে আপনার ডিভাইসের ব্যাটারি এবং প্রসেসরের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে।প্লে স্টোর থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করবেন,রেপুটেড ওয়েবসাইটগুলো থেকে মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্টগুলো ডাউনলোড করবেন ভাইরাস নিয়ে কোন ঝামেলায় পড়তে হবেনা।
এইসব এন্টিভাইরাসগুলো কতটুকু ভাইরাস দমন করতে সক্ষম তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে।
ব্যাটারি সেভার ব্যবহার করা
ব্যাটারি সেভার ব্যবহারে আপনার ডিভাইসের কোন ক্ষতি হবে না তবে এটি ব্যবহার করা উচিত নয় কারণ এটা কোন কাজের না।অনেকে ভাবেন ব্যাটারি সেভারের কাজ হচ্ছে ব্যাটারি সেভ করা তাই ভালো মানের ব্যাটারি সেভার খুজতে থাকেন।কিন্তু ব্যাটারি সেভার কি কাজ করে তা জানেন কি?ধরুন আপনার ফোনটিতে ব্লুটুথ অন হয়ে আছে,জিপিএস অন হয়ে আছে অথবা ওয়াইফাই অন হয়ে আছে ব্যাটারি সেভার এগুলোকে অফ করে দেবে।এভাবে আপনি কোন একটা অ্যাপ ওপেন করলেন একটু পর ব্যাটারি সেভার এই অ্যাপকে কিল (kill) /বন্ধ করে দেবে।অর্থাৎ ব্যাকগ্রাউন্ডে কোন অ্যাপকে চলতে বাধা দিয়ে ব্যাটারি সেভার আপনার ব্যাটারি সেভ করে।কিন্তু এ কাজগুলো আপনি নিজেই করতে পারেন এসবের জন্য আলাদাভাবে অ্যাপ ইন্সটল করার কোন প্রয়োজন নেই।
ফেক অ্যাপ ব্যবহার করা
ধরুন আপনার ফোনে আইরিশস্ক্যানার (iris scanner) নেই কিন্তু একটা অ্যাপ পেলেন যেটা বলছে এটা ইন্সটল করলে আপনার ফোনে আইরিশস্ক্যানার চলে আসবে।আবার ধরুন আপনার ফোনে ফাস্ট চার্জিং অপশন নেই কিন্তু অ্যাপটা বলছে এটা ইন্সটল করলে আপনার ডিভাইসটি ফাস্ট চার্জিং এনাবল্ড হয়ে যাবে।আসলে এগুলো কোনটায় সম্ভব নয় কারণ এই ফীচারগুলো সফটওয়্যার ডিপেন্ডেন্ট নয়,এগুলোর জন্য আলাদাভাবে হার্ডওয়ার প্রয়োজন।হার্ডওয়ার ছাড়া এই ফীচারগুলো কাজ করবে না।তাই এধরনের অ্যাপ্লিকেশন গুলো কোন কাজের না শুধু আপনার ডিভাইসটির র‍্যামের জায়গা খেয়ে বসে থাকবে।এগুলো হয়ত আপনার ফোনের কোন ক্ষতি করবে না কিন্তু এগুলো প্রচুর বিজ্ঞাপন শো করে,সারা দিন ধরে শুধু বিজ্ঞাপনই শো করে যাবে।তাই এরকম ফেক অ্যাপস ইন্সটল করা থেকে দূরে থাকুন।
রুট করা
অনেকে শখের বসে ফোন রুট করতে চান যেটা ঠিক না।আপনার যদি ফোন রুট সম্পর্কে কোন ধারণা থাকে তবেই ফোন রুট করুন অন্যথায় এটা করবেন না।
সমস্ত অ্যাপকে পার্মিশন দেওয়া
ধরুন আপনি হোয়াটস অ্যাপ ব্যবহার করে ভয়েস মেসেজ পাঠাতে চাচ্ছেন এখানে হোয়াটস অ্যাপ আপনার ডিভাইসের মাইক ইউজ করার জন্য পার্মিশন চায়বে,আপনি এখানে পার্মিশন দেবেন কারণ এখানে মাইকের দরকার আছে।কিন্তু কিছু থার্ডপার্টি অ্যাপ যেমন টর্চলাইট আপনার জিপিএসের পার্মিশন চাচ্ছে,কিন্তু টর্চ লাইট অন করতে জিপিএসের তো কোন প্রয়োজন নেই।তাই যখন কোন অ্যাপ্লিকেশন পার্মিশন চাচ্ছে দেখে বুঝে পার্মিশন দেবেন।তা না হলে ডেটা লিক হবার সম্ভাবনা থাকতেয় পারে।
রিস্টার্ট না করা
ফোন রিস্টার্ট করা ফোনের জন্য খুব হেলদি (healthy)।এতে আপনার হার্ডওয়ারগুলো একটু রিফ্রেশ হতে পারে কারণ আমরা আমাদের ডিভাইসটি টানা অনেক দিন পর্যন্ত ব্যবহার করি (আর মোবাইল তৈরীই হয়েছে একনাগাড়ে অনেক দিন ব্যবহারের জন্য)।তাই ৫ দিন বা ৭ দিন পর পর সময় পেলে আপনার ডিভাইসটিকে একটু রিবুট করে নিন।

No comments