Header Ads

test

৭ রকম খাবার যা আপনার শরীরের জন্য ক্ষতিকারক


এই বিষয়টা নিয়ে আমরা প্রায়ই দ্বিধা দ্বন্দ্বে পড়ে যায় যে আমাদের শরীর সুস্থ রাখতে আমাদের কোন ধরণের খাবার গ্রহণ করা উচিত আর কোন ধরনের খাবার গুলো পরিহার করা উচিত।
এখানে আমরা ৭ রকম খাবার সম্বন্ধে আলোচনা করব যা মানুষের শরীরের জন্য ক্ষতির কারন।যদি আপনি আপনার ওজন কমাতে চান অথবা জটিল কোন রোগ থেকে বেচে থাকতে চান তাহলে অবশ্যই এই খাবার গুলো থেকে বিরত থাকুন।
আমরা আমাদের সাধ্যমত ঐ খাবার গুলোর বিকল্প হিসেবে কোন খাবার থাকলে সেগুলোও তুলে ধরার চেষ্টা করব।

১.চিনি অথবা চিনি জাতীয় পানীয়
চিনি আমাদের দৈনন্দিন খাবারের তালিকায় একটা বড় জায়গা করে আছে।
আমাদের দেশের কোমল পানীয় গুলোতে স্বাদ বাড়ানোর জন্য প্রচুর পরিমাণে চিনি ব্যবহার করা হয়।তাই পানীয় গুলো বেশী পরিমানে গ্রহন করার ফলে শরীরে চর্বির পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে।
খাবারের সাথে বেশি পরিমাণে চিনি গ্রহন করার ফলে আমাদের লিভারে বড় রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে।এছাড়াও আরো কিছু মারাত্নক ব্যাধি হতে পারে যাদের মাঝে টাইপ ২ ডায়াবেটিস এবং হৃদরোগ অন্যতম (,,)

বিকল্পঃ প্রচুর পানি পান করুন।লেবু পানি শরীরের জন্য খুব উপকারী তাই সম্ভব হলে এক ফালি লেবু এক গ্লাস পানির সাথে মিশিয়ে পান করতে পারেন যদি শুধু পানি খেতে না ভালো লাগে।

২.পিজ্জা
পিজ্জা পৃথিবীর সবচায়তে জনপ্রিয় জাঙ্ক ফুড গুলোর মাঝে একটি।তাই এটা মানতেয় হবে যে এটা অনেক টেস্টি একটা খাবার।কিন্তু ফাস্টফুড চেনশপ গুলো তাদের অতিরিক্ত লাভের আশায় এবং পিজ্জার স্বাদ বাড়াতে মারাত্নক অস্বাস্থ্যকর কিছু উপাদান পিজ্জা তৈরীতে ব্যবহার করে যেগুলোর সাথে আমরা পরিচিত নই।
পিজ্জার ময়দা হাইলি রিফাইন করা থাকে তাই এতে ফাইবারের পরিমান একেবারে শুন্য।আর যে মাংস পিজ্জাই দেয়া হয় তা প্রসেস করা থাকে।তাই পিজ্জাতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালোরি থাকে।
বিকল্পঃবাইরের পিজ্জা না খেয়ে প্রয়োজনীয় ইনগ্রিডিয়েন্টস গুলো কিনে নিয়ে বাসায় ইচ্ছা মত বানাতে পারেন।আজকাল ইউটিউবে দেখে যেকোন খাবার ঘরে বসে বানানো সম্ভব।এতে অন্তত আপনি এতটুকু জানবেন যে আপনি কি খাচ্ছেন।

৩.বাজারে কেনা জুস
এমনটা মনে করা হয়ে থাকে যে ফলের জুস অনেক উপকারী।কিন্তু বাজারে জুসের নামে যেগুলো কিনতে পাওয়া যায় সেগুলো আসলে কোন জুস নয়।এগুলোতে শুধুমাত্র ঐ ফলের ফ্লেভার ব্যবহার করা হয় আর বাকী সবটা চিনি।এটা সত্য যে ফলের রসে এন্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন সি থাকে কিন্তু যেহেতু এগুলোতে লিকুইড সুগার অনেক বেশী পরিমাণে ব্যবহার করা হয়ে থাকে তাই সেগুলো আর কোন কাজে আসেনা।বরং কোম্পানীগুলো কোমল পানীয় তৈরিতে যে পরিমাণ সুগার ব্যবহার করে জুস তৈরীতেও ঐ পরিমাণ সুগার ব্যবহার করা হয় এর স্বাদ বাড়ানোর জন্য।তাই বাজারের জুসগুলো তেমনটায় ক্ষতিকারক যেমনটা কোমলপানীয় বা সফটড্রিঙ্কস গুলো ক্ষতিকারক।
বিকল্পঃকিছু জুস পাওয়া যায় যেগুলোতে সুগার লেভেল বেশী পাওয়া গেলেও তা উপকারী।যেমন,ব্লুবেরি জুস।
সব চাইতে ভালো হয় বাসায় জুস বানিয়ে খেলে।

.পেস্ট্রী,কুকী,কেক
বেশীর ভাগ পেস্ট্রী,কুকী এবং কেক অস্বাস্থ্যকর।কারণ এগুলো চর্বিতে ভর্তি।তাই এগুলোতে শরীরের জন্য দরকারি কোন পুষ্টি উপাদান থাকেনা।

.ফ্রেঞ্চ ফ্রাই,পটেটো চিপ্স
এতে সন্দেহ নেই যে আলু স্বাস্থ্যকর খাবার।কিন্তু তার মানে এই নয় যে আলু দিয়ে তৈরী করা হয় এমন সমস্ত খাবারই স্বাস্থ্যকর।যেমন,ফ্রেঞ্চ ফ্রাই  বা পটেটো চিপ্স।
কারণ এই খাবার গুলোতে মাত্রাতিরিক্ত পরিমানে ক্যালোরী থাকে আর সহজেই এই খাবারগুলো পরিমাণে বেশী খাওয়া যায়।তাই সহজেই শরীরের ওজন বাড়তে সাহায্য করে(,)

বিকল্পঃসেদ্ধ আলু খুব উপকারী।যদি মুচমুচে কিছু পছন্দ করেন তাহলে বাদাম খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন।

.আইস্ক্রীম
আইস্ক্রীম পছন্দ করেন না এমন মানুষের খোজ মেলা ভার।কিন্তু দুঃখ জনক হলেও সত্য আইস্ক্রীম মোটেও কোন স্বাস্থ্যকর খাবার নয়।কারণ বাজারে বিখ্যাত ব্র্যান্ডের যে আইস্ক্রীমগুলোর দেখা পাওয়া যায় সেগুলো চিনি দিয়ে পরিপুর্ণ।
বিকল্পঃবাসায় ইচ্ছামত স্বাস্থ্যকর কিছু উপাদান দিয়ে আইস্ক্রীম বানিয়ে খেতে পারেন।

.প্রক্রিয়াজাত করা মাংস
টাটকা মাংস স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর হলেও প্রক্রিয়াজাত করা মাংসের বেলায় তা কিন্তু মোটেও সত্য নয়।
কারণ গবেষনা থেকে উঠে এসেছে যারা প্রক্রিয়াজাত করা মাংস খান তারা মারাত্নক কয়েকটা ব্যাধির ঝুকিতে আছেন।এদের মধ্যে আছে কোলন ক্যান্সার,টাইপ ২ ডায়াবেটিস এবং হৃদ রোগের ঝুকি(,)।

No comments